Food Products
Pure Gawa Ghee
Uncategorized

#ঘি পরিচিতি

ঘি অতি পরিচিত পুষ্টিকর একটি পদ আমাদের জীবনে। ঘি এর স্বাদ বাঙালির জীবনে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। একটু ঘি হলেই যেন জমে যায় খাওয়াটা। ঘি বলতে আমরা বুঝি গাওয়া ঘি।

গাওয়া ঘি হচ্ছে দুধের ননী থেকে তৈরি একটি পদ। বলা যায় দুধের একটি পুষ্টি সমৃদ্ধি খাবার হচ্ছে গাওয়া ঘি।

গাওয়া ঘি রয়েছে অনেক উপকারিতা ও পুষ্টিগুন। গাওয়া ঘিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বাটাইরিক অ্যাসিড যা পরিপাকতন্ত্রের প্রধান কাজ হজমে সহয়তা করে। যারা বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যতে ভুগছেন তাদের জন্য গাওয়া ঘি অত্যন্ত উপকার। কোলেস্টেরল কমাতে দূর্দান্ত কাজ করে এই ঘি।

গাওয়া ঘি এর আরেকটি উপকারীতা দিক হলো, এতে থাকা ভিটামিন এ,ডি এবং ই চোখ ও ত্বক ভালো রাখার সাথে সাথে গাটের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করে আর হাড় মজবুত করে। প্রাচীন আয়ূর্বেদিক মতে ঘি কে মানা হয় মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য সুপারফুড।যা স্মতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে দারুন কাজ করে।

গাওয়া ঘি তে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেটনস্ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ প্রদাহ দূর করে প্রাকৃতিক উপায়ে। হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ, ডায়াবেটিক,ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ বিশেষভাবে কাজ করে থাকে। কারণ এই ঘি তে থাকা লিনলিয়েক ফ্যাটি এসিড শরীরে একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করে।

প্রাচীনকাল থেকে গাওয়া ঘি সহ অন্যান্য সকল ঘি কে মানা হয় বিগ পজেটিভ ফুড হিসেবে। এই সহজ পদটি আপনার খাবারকে সুস্বাদ করার পাশাপাশি শরীরকে দিবে সবরকম শক্তি।

১। স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।
২। নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
৩। স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৪। ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।
৬। ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।
৭। হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।
৮। রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৯। খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।১০। পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।
সূত্র : কালেরকন্ঠ।
ঘি চেনার উপায়ঃ

ভেজালের ভিড়ে খাঁটি ঘি চেনা দায়। জেনে নিন কীভাবে বুঝবেন বিশুদ্ধ ঘি খাচ্ছেন কিনা।

>> ঘি খাঁটি কিনা সেটা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্যানে গরম করা। এক চামচ ঘিদিন গরম প্যানে। যদি ঘি তাৎক্ষণিকভাবে গলে যায় এবং গাঢ় বাদামি রঙে পরিণত হয়, তবে এটি খাঁটি ঘি। যদি ঘি গলতে সময় নেয় এবং হলদে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন ঠকেছেন আপনি।

>> একটি কাচের বয়ামে খানিকটা ঘি নিন। একটি গরম পানির পাত্রে বয়ামটি বসিয়ে গরম করুন। গলে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন বয়াম। যদি ঘি দুই লেয়ারে জমে, তা হলে বুঝবেন ঘিয়ের সঙ্গে নারিকেল তেল মেশানো হয়েছে।

>> ১ চা চামচ ঘি নিন হাতের তালুতে। ঘি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আপনাতেই গলে যায় তবে বুঝবেন ঘি বিশুদ্ধ।

>> তরল ঘিয়ের মধ্যে সামান্য আয়োডিন সলিউসন দিন। যদি বাদামি রঙের সলিউসনটি বেগুনি রঙ ধারণ করে, তবে বুঝবেন ঘি খাঁটি নয়।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সম্পূর্ণ খাঁটি ঘি কোথায় পাবেনঃ
বিক্রেতাঃ
“দ্রব্যসেবা” আপনাকে দিচ্ছে খাঁটি ঘিয়ের নিশ্চয়তা
Website : www.drobboseba.com
Page : fb.com/drobboseba.page
Mobile : +8801914501159

আমরা আমাদের সেবা গ্রহণকারি অর্থাৎ আমাদের সম্মানীত গ্রাহকদের ব্যাপারে এতটাই আশাবাদী ও আন্তরীক যে আমরা খুবই সুন্দর একটি রিটার্ন পলিসি তৈরী করেছি।

“আমাদের সেবার যে কোন পণ্য ক্রয় করার পর যদি কোন কারনে আপনার মনে হয় যে, পণ্যের মধ্যে কোন প্রকার ট্রুটি বা নষ্টো বা ভেজাল আছে – তাহলে শুধু আমাদের কে জানালেই হবে।

আমরা দ্বিতীয় কোন প্রশ্ন ছাড়াই আমাদের নিজ দায়ীত্বে মূল্য ফেরৎ দিয়ে অথবা ঢাকার বাইরে হলে পণ্যটি পাঠিয়ে দিলে আপনার ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য ফিরৎ দিয়ে দিবো ইন শা আল্লাহ”।

তো এমন একটা স্বর্নালী সুযোগ মিস করতে না চাইলে এখনি ক্রয় করুন আপনার পছন্দের সেরা পণ্যটি।

আর শুধু নিজেরাই ভালো পণ্য ক্রয় করলে হবে? পরিচিতদেরকেও ট্যাগ করুন, তারা আজীবন আপনার এই উপকারকে মনে রাখবেন।

“ক্রেতার সন্তুষ্টিই বেক্রেতার লক্ষ অর্জনের চাবিকাঠী”
-দ্রব্যসেবা-
#DrobboSeba

pure and organic honey
Uncategorized
১। মধু (Honey)

সাধারণভাবে বলা যায়- মধু হলো লাখ লাখ মৌমাছির অক্লান্ত শ্রম আর সেবাব্রতী জীবনের দান। মৌমাছিরা ফুলে ফুলে বিচরণ করে ফুলের রেণু ও মিষ্টি রস সংগ্রহ করে পাকস্থলীতে রাখে। তারপর সেখানে মৌমাছির মুখ নিঃসৃত লালা মিশ্রিত হয়ে রাসায়নিক জটিল বিক্রিয়ায় মধু তৈরি হয়। এরপর মুখ হতে মৌচাকের প্রকোষ্ঠে জমা করা হয়।

আরবি পরিভাষায় মধুপোকা বা মৌমাছিকে ‘নাহল’ বলা হয়। পবিত্র কোরআনে এই নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা বিদ্যমান আছে। সূরা নাহল এর আয়াত ৬৯-এ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন-তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। মধু হচ্ছে ওষুধ এবং খাদ্য উভয়ই। মধুকে বলা হয়- বিররে এলাহি ও তিব্বে নব্বী। অর্থাৎ খোদায়ী চিকিৎসা।খাদ্য ও ঋতুর বিভিন্নতার কারণে মধুর রঙ বিভিন্ন হয়ে থাকে। এ কারণেই কোন বিশেষ অঞ্চলে কোন বিশেষ ফল-ফুলের প্রাচুর্য থাকলে সেই এলাকার মধুতে তার প্রভাব ও স্বাদ অবশ্যই পরিলক্ষিত হয়। মধু সাধারণত তরল আকারে থাকে তাই একে পানীয় বলা হয়। মধু যেমন বলকারক খাদ্য এবং রসনার জন্য আনন্দ ও তৃপ্তিদায়ক, তেমনি রোগ ব্যাধির জন্যও ফলদায়ক ব্যবস্থাপত্র।

রোগ নিরাময়ে মধুর গুণাগুণ

রোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সফলতার সঙ্গে ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম্নে কয়েকটি রোগের চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
১। শরীরের বাইরের কোন অংশের ক্ষততে মধুর প্রলেপ লাগালে অনেক সময় মলমের চেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
২। পানিতে অল্প মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর ক্ষত সারে।
৩। মৌরির পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে দূষিত বায়ু পেট থেকে বেরিয়ে যায়।
৪। যারা খুব মোটা হচ্ছেন তাদের মেদ কমানোর জন্য মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে খেলে সুফল পাওয়া যায়।
৫। দুর্বল শিশুকে এক ফোঁটা মধু দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার খাওয়ালে তার স্বাস্থ্য ভালো হয় ও শক্তি লাভ করে।
৬। এক কাপ দুধে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রোজ সকালে খেলে শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৭। মধুর সঙ্গে গুড়ের রস মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।
৮। চক্ষু রোগে এক ফোঁটা করে মধু দিনে ৩ বার চোখে লাগাতে হবে।
৯। শিশুদের দৈহিক গড়ন, রুচি বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি ও পেট ভালো রাখার জন্য প্রত্যহ এক চা চামচ মধু ১০। গরম দুধ ও গরম পানির সঙ্গে নাশতা ও রাতের খাবারের সঙ্গে দিতে হবে।
মধু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ নামক দুই ধরনের সুগার থাকে। অবশ্য সুক্রোজ ও মালটোজও খুব অল্প পরিমাণে আছে। মধু নির্ভেজাল খাদ্য। এর শর্করার ঘনত্ব এত বেশি যে, এর মধ্যে কোনো জীবাণু ১ ঘণ্টার বেশি সময় বাঁচতে পারে না। এতে ভিটামিন এ, বি, সি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান।

অনেক প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও আছে। যেমন- এনজাইম বা উৎসেচক, খনিজ পদার্থ (যথা পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ), এছাড়াও প্রোটিন আছে। মধুতে কোনো কোলস্টেরল নেই। সুস্থ অসুস্থ যে কেউ মধু খেতে পারেন। সুস্থ মানুষ দিনে দু’চা-চামচ মধু অনায়াসে খেতে পারেন। বেশি খেতে চাইলে শর্করা জাতীয় খাদ্য ভাত, রুটি, আলু কমিয়ে খেতে হবে। অন্যথা মোটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে পরিমিত পরিমাণ খেলে মোটা হওয়ার ভয় নেই। হজমের গোলমাল, হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস প্রভৃতিরোগে আধা চা-চামচ এর বেশি মধু না খাওয়াই ভালো। পোড়া, ক্ষত ও সংক্রমণের জায়গায় মধু লাগালে দ্রুত সেরে যায়।

কৃষি তথ্য সার্ভিস
কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম

X