Food Products
Apple Cider Vinegar
Oil Foods

শরীরকে চাঙ্গা রাখার পাশাপাশি ত্বকের পরিচর্যায় নানাভাবে কাজে আসে এই উপাদানটি। কিন্তু এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন, তা হল এই বিশেষ ধরনের ভিনিগারটির আসলে কিন্তু অ্যাসিডিক, তাই ভুলেও অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার সরাসরি খাওয়া বা ত্বকে লাগানো উচিত নয়। বরং ভিনিগারে পরিমাণ মতো জল মিশিয়ে তারপর অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করতে হবে। আর এমনটা করলে যে যে উপকারগুলি মিলবে, সেগুলি হল…

১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে,
২. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে,
৩. হার্ট চাঙ্গা থাকবে,
৪. মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়,
৫. শরীরকে বিষ মুক্ত করে,
৬. ব্রণর প্রকোপ কমবে,
৭. ট্যান কমবে নিমেষে,
৮. স্কিন টোনার হিসেবেও কাজে আসে,
৯. ডিওডরেন্ট হিসেবেও কাজে লাগাতে পারো,
১০. চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে,
১১. দাঁতের সৌন্দর্য বাড়বে.

আপেল সিডার ভিনেগার স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়।
শরীরের ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোসহ বহু উপকার করে এ ভিনেগার।

 

আসুন জেনে নেই আপেল সিডার ভিনেগারের বিজ্ঞানসম্মত ছয়টি গুণ।

১। আপেল থেকে গাঁজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় আপেল সিডার ভিনেগার তৈরি করা। এ ভিনেগারে ৫-৬ শতাংশ অ্যাসেটিক এসিড থাকে। এটি শরীরের জন্য উপকারি। এছাড়াও আপেল সিডার ভিনেগারে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ লবণ।

 

২। ব্যাকটেরিয়া নিধন করতে সাহায্য করে আপেল সিডার ভিনেগার। তাই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত স্থান পরিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া নখের ছত্রাক, আঁচিল, উকুন, কানের ইনফেকশন উপশম করতেও এ ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। কয়েক হাজার বছর আগে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করার জন্য ভিনেগার ব্যবহার করা হতো। খাবার সংরক্ষণ করতেও ব্যবহার করা হয় ভিনেগার। এতে খাবারে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মায় না। প্রাকৃতিকভাবে খাবার সংরক্ষণ করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন আপেল সিডার ভিনেগার। এছাড়া, ব্রনসহ ত্বকে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে এ ভিনেগার খুব কাজের। তবে ত্বকে দিতে হলে ভিনেগারের সঙ্গে অবশ্যই পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে নেবেন।

৩। টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য আপেল সিডার ভিনেগার খুবই উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র দুই টেবিলচামচ আপেল সিডার ভিনেগার খেলে, সকালে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ার গতি কমবে চার শতাংশ। যাদের ডায়াবেটিস নেই, তারাও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। তবে যারা ইতোমধ্যে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ খাচ্ছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিনেগার খাওয়া তাদের জন্য ঠিক হবে না।

৪। ওজন কমাতে সাহায্য করে আপেল সিডার ভিনেগার। শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর ভিনেগার খেলে দিনের পরবর্তী সময়ে সহজে ক্ষুধা লাগে না। ওবেসিটি বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত ১৭৫ জনকে নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, রোজ আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে কমে পেটের মেদ। তবে অবশ্যই খাবার গ্রহণের পরিমাণও কমাতে হবে, শুধু ভিনেগারই ওজন কমাবে না।

৫। বর্তমান বিশ্বে অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদরোগ। রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আপেল সিডার ভিনেগার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৬। আপেল সিডার ভিনেগারে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী শক্তি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এ ভিনেগার ক্যানসার কোষ নির্মূল ও টিউমার সারাতে ভূমিকা রাখে। তবে এটি এখনো সর্বব্যাপী স্বীকৃত নয়। এনিয়ে আরও গবেষণা চলছে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন আপেল সিডার ভিনেগার: সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, রান্নায় এ ভিনেগার ব্যবহার করা। ঘরে মেয়োনিজ তৈরির সময় বা সালাদেও দিতে পারেন ভিনেগার। পানির সঙ্গে মিশিয়ে পানীয় হিসেবেও পান করা যেতে পারে এটি। যেমন, এক গ্লাস পানিতে ১/২ টেবিলচামচ (৫-১০ মিলিলিটার) আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে পারেন।

তবে শুরুতে অবশ্যই খুব অল্প পরিমাণ ভিনেগার খাওয়া উচিত। খুব বেশি পরিমাণ ভিনেগার খেলে গলা জ্বলতে পারে। ক্ষয় হতে পারে দাঁতের এনামেল। পানিতে না মিশিয়ে সরাসরি ভিনেগার খাওয়া কখনোই উচিত নয়। এ ভিনেগার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে, এটা ঠিক। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। ফলে দেখা দিতে পারে ক্ষুধামন্দা। ডায়াবেটিস ও অন্য বেশকিছু রোগের ওষুধের সঙ্গে ভিনেগার খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভালো করে জেনেশুনে নিশ্চিত হয়ে ভিনেগার ব্যবহার করা উচিত।

উৎসঃ বাংলাদেশ সময়.

Pure Mustard Oil
Oil Foods

১. হৃদযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি হ্রাস : সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ভোজ্য তেলের উপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ডসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায় যা হৃদরোগের সম্ভবনা অনেকখানি হ্রাস করে।

২. হজম শক্তি বাড়ায় : সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উৎপাদনে সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে ক্ষুধায় সহায়তা করে।

৩. ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস : সরিষা তেলে একটি বিশেষ ধরনের Phytonutrient আছে যা কলোরেক্টাল এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৪. সরিষার তেল ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং প্রদাহবিরোধী হিসাবে কাজ করে।

৫. ঠান্ডা ও কাশি উপশমে সহায়ক : সরিষা তেল ঠান্ডা এবং কাশি উপশমে সহায়ক। সরিষার তেল যখন বুকের সম্মুখে প্রয়োগ করা হয় কিংবা তার দৃঢ় সুবাস নিঃশ্বাসের মাধমে নেয়া হয় তখন এটা শ্বাসযন্ত্রের নালীর থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে থাকে।

৬. সরিষার তেল সন্ধিস্থলের ব্যাথা হ্রাস করে।

৭. সরিষার তেল তামাটে এবং কালো দাগ দূর করে স্বাভাবিক ত্বক ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে।

৮. ঠোঁটের শুস্কতা দূর করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করে।

৯. সামান্য কাটা ছেঁড়ায় এন্টিসেপটিক এর কাজ করে।

১০. চুল পড়া প্রতিরোধ করে, খুসকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে।

আসুন আমরা রান্না করার জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করি।

X