Food Products
Pink salt
Post Format

হিমালয়ান পিঙ্ক লবণ ব্যবহার করেছেন কি ?

গোলাপী রঙের ক্রিস্টালের মতো দেখতে দানাদার হিমালয়ান পিঙ্ক লবণ দেখেছেন? ভারত থেকে চীনের মধ্যে যে প্রসারিত পর্বতশ্রেণী রয়েছে তার মধ্যে পাওয়া যায় এ লবণ।

লক্ষ লক্ষ বছর আগে এভারেস্ট থেকে একপ্রকার যৌগ এসে মেশে সমুদ্রের পানিতে। দীর্ঘদিন ধরে তা জমতে জমতে গোলাপি ক্রিস্টাল কণায় পরিণত হয়।

এ লবণে গোলাপী, সাদা এবং লাল বর্ণের খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এর রং গোলাপী দেখায়। যা পটাশিয়াম, সালফেট, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, লোহাসহ প্রায় ৮৪ রকমের খনিজে ভরপুর। তাই এর গুণাগুণও অনেক বেশি।

ভাবছেন এতো কথা আমরা কেন বলছি? কারণ “দ্রব্যসেবা” সকলের জন্য সরবরাহ করছে হিমালয়ান লবণ, যা অনেকের কাছে পিঙ্ক সল্ট হিসেবে পরিচিত।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এ লবণ থাকলে তা দেহের দূষিত টক্সিন বের করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ফলে রক্তে লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কিডনি, লিভার ভালো থাকে।

তবে আকারে সাধারণ লবণের চেয়ে বড় পিঙ্ক সল্টের পুষ্টিগুণ সাধারণ লবণের থেকে অনেক বেশী এবং পরিমাণেও কম লাগে।

অনেকে বাথটাব বা বালতির পানিতে এক টুকরো হিমালয়ান লবণের চাক ছেড়ে দিয়ে গোসল করতে পছন্দ করে। প্রাকৃতিকভাবে এতে রয়েছে পুষ্টি উপাদান যা মাংস পেশীকে রিল্যাক্স করে ত্বকের চামড়া কুঁচকানো দূর করতে সহায়তা করে। সাথে সাথে মন ও শরীরকে রাখে সজীব আর প্রাণবন্ত।

করোনা দুর্যোগে সবাই বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন। “দ্রব্যসেবা”, নিরাপদ খাবারের প্রয়োজনে আপনার পাশে সব সময়।

Apple Cider Vinegar
Oil Foods

শরীরকে চাঙ্গা রাখার পাশাপাশি ত্বকের পরিচর্যায় নানাভাবে কাজে আসে এই উপাদানটি। কিন্তু এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন, তা হল এই বিশেষ ধরনের ভিনিগারটির আসলে কিন্তু অ্যাসিডিক, তাই ভুলেও অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার সরাসরি খাওয়া বা ত্বকে লাগানো উচিত নয়। বরং ভিনিগারে পরিমাণ মতো জল মিশিয়ে তারপর অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করতে হবে। আর এমনটা করলে যে যে উপকারগুলি মিলবে, সেগুলি হল…

১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে,
২. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে,
৩. হার্ট চাঙ্গা থাকবে,
৪. মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়,
৫. শরীরকে বিষ মুক্ত করে,
৬. ব্রণর প্রকোপ কমবে,
৭. ট্যান কমবে নিমেষে,
৮. স্কিন টোনার হিসেবেও কাজে আসে,
৯. ডিওডরেন্ট হিসেবেও কাজে লাগাতে পারো,
১০. চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে,
১১. দাঁতের সৌন্দর্য বাড়বে.

আপেল সিডার ভিনেগার স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়।
শরীরের ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোসহ বহু উপকার করে এ ভিনেগার।

 

আসুন জেনে নেই আপেল সিডার ভিনেগারের বিজ্ঞানসম্মত ছয়টি গুণ।

১। আপেল থেকে গাঁজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় আপেল সিডার ভিনেগার তৈরি করা। এ ভিনেগারে ৫-৬ শতাংশ অ্যাসেটিক এসিড থাকে। এটি শরীরের জন্য উপকারি। এছাড়াও আপেল সিডার ভিনেগারে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ লবণ।

 

২। ব্যাকটেরিয়া নিধন করতে সাহায্য করে আপেল সিডার ভিনেগার। তাই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত স্থান পরিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া নখের ছত্রাক, আঁচিল, উকুন, কানের ইনফেকশন উপশম করতেও এ ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। কয়েক হাজার বছর আগে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করার জন্য ভিনেগার ব্যবহার করা হতো। খাবার সংরক্ষণ করতেও ব্যবহার করা হয় ভিনেগার। এতে খাবারে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মায় না। প্রাকৃতিকভাবে খাবার সংরক্ষণ করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন আপেল সিডার ভিনেগার। এছাড়া, ব্রনসহ ত্বকে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে এ ভিনেগার খুব কাজের। তবে ত্বকে দিতে হলে ভিনেগারের সঙ্গে অবশ্যই পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে নেবেন।

৩। টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য আপেল সিডার ভিনেগার খুবই উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র দুই টেবিলচামচ আপেল সিডার ভিনেগার খেলে, সকালে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ার গতি কমবে চার শতাংশ। যাদের ডায়াবেটিস নেই, তারাও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। তবে যারা ইতোমধ্যে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ খাচ্ছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিনেগার খাওয়া তাদের জন্য ঠিক হবে না।

৪। ওজন কমাতে সাহায্য করে আপেল সিডার ভিনেগার। শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর ভিনেগার খেলে দিনের পরবর্তী সময়ে সহজে ক্ষুধা লাগে না। ওবেসিটি বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত ১৭৫ জনকে নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, রোজ আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে কমে পেটের মেদ। তবে অবশ্যই খাবার গ্রহণের পরিমাণও কমাতে হবে, শুধু ভিনেগারই ওজন কমাবে না।

৫। বর্তমান বিশ্বে অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদরোগ। রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আপেল সিডার ভিনেগার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৬। আপেল সিডার ভিনেগারে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী শক্তি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এ ভিনেগার ক্যানসার কোষ নির্মূল ও টিউমার সারাতে ভূমিকা রাখে। তবে এটি এখনো সর্বব্যাপী স্বীকৃত নয়। এনিয়ে আরও গবেষণা চলছে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন আপেল সিডার ভিনেগার: সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, রান্নায় এ ভিনেগার ব্যবহার করা। ঘরে মেয়োনিজ তৈরির সময় বা সালাদেও দিতে পারেন ভিনেগার। পানির সঙ্গে মিশিয়ে পানীয় হিসেবেও পান করা যেতে পারে এটি। যেমন, এক গ্লাস পানিতে ১/২ টেবিলচামচ (৫-১০ মিলিলিটার) আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে পারেন।

তবে শুরুতে অবশ্যই খুব অল্প পরিমাণ ভিনেগার খাওয়া উচিত। খুব বেশি পরিমাণ ভিনেগার খেলে গলা জ্বলতে পারে। ক্ষয় হতে পারে দাঁতের এনামেল। পানিতে না মিশিয়ে সরাসরি ভিনেগার খাওয়া কখনোই উচিত নয়। এ ভিনেগার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে, এটা ঠিক। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। ফলে দেখা দিতে পারে ক্ষুধামন্দা। ডায়াবেটিস ও অন্য বেশকিছু রোগের ওষুধের সঙ্গে ভিনেগার খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভালো করে জেনেশুনে নিশ্চিত হয়ে ভিনেগার ব্যবহার করা উচিত।

উৎসঃ বাংলাদেশ সময়.

Cashew Nuts
Nuts | Badam

 কাজু বাদাম এর উপকারীতা।

১. অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে-
কাজুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা শরীরে প্রবেশ করে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এতো মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই সুস্থভাবে যদি বাঁচতে চান, তাহলে রোজের ডেয়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতে ভুলবেন না যেন!

২. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে-
কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৩. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে থাকে-
এই মারণ রোগটি যদি সাপ হয়,তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো বেজি। তাই তো যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আসলে এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, কাজু বাদামে থাকা প্রম্যান্থোসায়ানিডিন নামে একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে হাড়ের শক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে গিয়ে অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে থাকে-
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে এই মরণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৬. সংক্রমণের আশঙ্কা কমায়-
এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে রোজের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন।

৭. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে-
কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন।

৮. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়-
কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৯. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে-
মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০. নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়-
বাদামে শরীরের থারা ম্যাগনেসিয়াম নার্ভের ক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে ব্রেনের কগনিটিভ ফাংশনেরও উন্নতি ঘটে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বাড়তে শুরু করে।

তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই।

বিঃ দ্রঃ – দ্রব্যসেবা কখনোই নিম্নমানে পণ্য বাজারজাত বা গ্রাহককে দেয় না। কারন ব্যবসা আর সেবা দুটোই সততার সাথে করে।

Pure Gawa Ghee
Uncategorized

#ঘি পরিচিতি

ঘি অতি পরিচিত পুষ্টিকর একটি পদ আমাদের জীবনে। ঘি এর স্বাদ বাঙালির জীবনে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। একটু ঘি হলেই যেন জমে যায় খাওয়াটা। ঘি বলতে আমরা বুঝি গাওয়া ঘি।

গাওয়া ঘি হচ্ছে দুধের ননী থেকে তৈরি একটি পদ। বলা যায় দুধের একটি পুষ্টি সমৃদ্ধি খাবার হচ্ছে গাওয়া ঘি।

গাওয়া ঘি রয়েছে অনেক উপকারিতা ও পুষ্টিগুন। গাওয়া ঘিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বাটাইরিক অ্যাসিড যা পরিপাকতন্ত্রের প্রধান কাজ হজমে সহয়তা করে। যারা বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যতে ভুগছেন তাদের জন্য গাওয়া ঘি অত্যন্ত উপকার। কোলেস্টেরল কমাতে দূর্দান্ত কাজ করে এই ঘি।

গাওয়া ঘি এর আরেকটি উপকারীতা দিক হলো, এতে থাকা ভিটামিন এ,ডি এবং ই চোখ ও ত্বক ভালো রাখার সাথে সাথে গাটের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করে আর হাড় মজবুত করে। প্রাচীন আয়ূর্বেদিক মতে ঘি কে মানা হয় মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য সুপারফুড।যা স্মতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে দারুন কাজ করে।

গাওয়া ঘি তে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেটনস্ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ প্রদাহ দূর করে প্রাকৃতিক উপায়ে। হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ, ডায়াবেটিক,ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ বিশেষভাবে কাজ করে থাকে। কারণ এই ঘি তে থাকা লিনলিয়েক ফ্যাটি এসিড শরীরে একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করে।

প্রাচীনকাল থেকে গাওয়া ঘি সহ অন্যান্য সকল ঘি কে মানা হয় বিগ পজেটিভ ফুড হিসেবে। এই সহজ পদটি আপনার খাবারকে সুস্বাদ করার পাশাপাশি শরীরকে দিবে সবরকম শক্তি।

১। স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।
২। নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
৩। স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৪। ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।
৬। ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।
৭। হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।
৮। রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৯। খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।১০। পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।
সূত্র : কালেরকন্ঠ।
ঘি চেনার উপায়ঃ

ভেজালের ভিড়ে খাঁটি ঘি চেনা দায়। জেনে নিন কীভাবে বুঝবেন বিশুদ্ধ ঘি খাচ্ছেন কিনা।

>> ঘি খাঁটি কিনা সেটা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্যানে গরম করা। এক চামচ ঘিদিন গরম প্যানে। যদি ঘি তাৎক্ষণিকভাবে গলে যায় এবং গাঢ় বাদামি রঙে পরিণত হয়, তবে এটি খাঁটি ঘি। যদি ঘি গলতে সময় নেয় এবং হলদে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন ঠকেছেন আপনি।

>> একটি কাচের বয়ামে খানিকটা ঘি নিন। একটি গরম পানির পাত্রে বয়ামটি বসিয়ে গরম করুন। গলে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন বয়াম। যদি ঘি দুই লেয়ারে জমে, তা হলে বুঝবেন ঘিয়ের সঙ্গে নারিকেল তেল মেশানো হয়েছে।

>> ১ চা চামচ ঘি নিন হাতের তালুতে। ঘি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আপনাতেই গলে যায় তবে বুঝবেন ঘি বিশুদ্ধ।

>> তরল ঘিয়ের মধ্যে সামান্য আয়োডিন সলিউসন দিন। যদি বাদামি রঙের সলিউসনটি বেগুনি রঙ ধারণ করে, তবে বুঝবেন ঘি খাঁটি নয়।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সম্পূর্ণ খাঁটি ঘি কোথায় পাবেনঃ
বিক্রেতাঃ
“দ্রব্যসেবা” আপনাকে দিচ্ছে খাঁটি ঘিয়ের নিশ্চয়তা
Website : www.drobboseba.com
Page : fb.com/drobboseba.page
Mobile : +8801914501159

আমরা আমাদের সেবা গ্রহণকারি অর্থাৎ আমাদের সম্মানীত গ্রাহকদের ব্যাপারে এতটাই আশাবাদী ও আন্তরীক যে আমরা খুবই সুন্দর একটি রিটার্ন পলিসি তৈরী করেছি।

“আমাদের সেবার যে কোন পণ্য ক্রয় করার পর যদি কোন কারনে আপনার মনে হয় যে, পণ্যের মধ্যে কোন প্রকার ট্রুটি বা নষ্টো বা ভেজাল আছে – তাহলে শুধু আমাদের কে জানালেই হবে।

আমরা দ্বিতীয় কোন প্রশ্ন ছাড়াই আমাদের নিজ দায়ীত্বে মূল্য ফেরৎ দিয়ে অথবা ঢাকার বাইরে হলে পণ্যটি পাঠিয়ে দিলে আপনার ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য ফিরৎ দিয়ে দিবো ইন শা আল্লাহ”।

তো এমন একটা স্বর্নালী সুযোগ মিস করতে না চাইলে এখনি ক্রয় করুন আপনার পছন্দের সেরা পণ্যটি।

আর শুধু নিজেরাই ভালো পণ্য ক্রয় করলে হবে? পরিচিতদেরকেও ট্যাগ করুন, তারা আজীবন আপনার এই উপকারকে মনে রাখবেন।

“ক্রেতার সন্তুষ্টিই বেক্রেতার লক্ষ অর্জনের চাবিকাঠী”
-দ্রব্যসেবা-
#DrobboSeba

X